Showing posts with label কৌতুক. Show all posts
Showing posts with label কৌতুক. Show all posts

Monday, January 23, 2012

2 বাসের কৌতুক

7:39 AM Under From রেজওয়ান
[2 Comment]
বাসের এক সিটে দুই জন যাত্রী বসে আছেন। একজন এমনি বসে আছেন এবং আরেকজন
সিগারেট টানছেন।

অপর যাত্রী সিগারেটখোরকে বাসের ভেতরের একটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন, "ভাই দেখেন না, লেখা আছে, ধূমপান নিষেধ?"

... সেটা শুনে সিগারেটখোর আরেকটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন,
"আপনার কোনো অভিযোগ থাকলে চালককে বলুন।"

সেটা দেখে অপর যাত্রী চালকের কাছে গিয়ে বলছে, "চালক ভাই, আমার পাশের সিটের ঐ ভদ্রলোক ধূমপান করছেন ...এবং আমার সমস্যা হচ্ছে, আপনি একটু বিষয়টা দেখবেন।"

তাই শুনে চালক বাসের ভেতরের আরেকটি সতর্কবার্তা লেখা দেখিয়ে দিয়ে বললেন,
"চলন্ত গাড়ীতে চালকের সাথে কথা বলবেননা।"

moral : বাংলাদেশ চলছে এভাবেই, সবাই আইন দেখায়, কিন্তু কেউই আইন মানেনা ।।
Read More »

Tuesday, November 15, 2011

0 জীবনের লক্ষ্য

9:04 AM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
স্যার – তুমি বড় হয়ে কী করবে?
ছাত্র – বিয়ে। :D
স্যার – আমি বোঝাতে চাচ্ছি, তুমি বড় হয়ে কী হবে?
... ছাত্র – জামাই। :D
স্যার - আরে আমি বোঝাতে চাচ্ছি, তুমি বড় হয়ে কী পেতে চাও?
ছাত্র – বউ।
স্যার – গাধা, তুমি বর হয়ে মা বাবার জন্য কী করবে?
ছাত্র – বউ নিয়ে আসব।
স্যার – গর্দভ, তমার মা বাবা তোমার কাছে কী চায়?
ছাত্র – নাতি-নাত্নি।
স্যার- আরে বেটা . . . তোমার জীবনের লক্ষ্য কী?
ছাত্র – বিয়ে।
স্যার অজ্ঞান . . . !!!
Read More »

Wednesday, September 28, 2011

0 অফিস

11:49 AM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
অপু এবং নাছের দুই বন্ধু একই অফিসে চাকরি করে।
অপু: দোস্ত, কত দিন ধরে ছুটি পাই না। কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে উঠেছি। কিন্তু বস তো কিছুতেই ছুটি দেবেন না।
নাছের: হুমম্। আমিও হাঁপিয়ে উঠেছি। কিন্তু আমি বসের কাছ থেকে ছুটি নিতে পারব, দেখবি?
বলেই নাছের টেবিলের ওপর উঠে দাঁড়াল এবং ছাদ থেকে বেরিয়ে আসা একটা রড ধরে ঝুলতে শুরু করল। কিছুক্ষণ পর বস এলেন।
বস: এ কী নাছের! তুমি ঝুলে আছ কেন?
... নাছের খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল, ‘স্যার আমি লাইট, তাই ঝুলে আছি।’
বস ভ্রূ কুঁচকে তাকালেন। কিছুক্ষণ ভেবে বললেন, ‘অতিরিক্ত কাজের চাপে তোমার মস্তিষ্ক বিকৃতি দেখা দিচ্ছে। তুমি বরং এক সপ্তাহের ছুটি নাও।’
নাছের অপুর দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে রুম থেকে বিদায় নিল।
অপু চেয়ে চেয়ে দেখল। নাছের বেরিয়ে যেতেই সেও নাছেরের পিছু নিল।
বস: সে কী! ছুটি তো ওকে দিয়েছি! তুমি কোথায় যাচ্ছ?
অপু: কী আশ্চর্য! লাইট ছাড়া কাজ করব কী করে?!
Read More »

Tuesday, September 20, 2011

0 প্রপোজ

11:56 AM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
প্রপোজ করবেন কি ভাবে নিজেই নির্বাচন করুন !!!! ;)

১. ব্ল্যাকমেইল স্টাইলঃ আমি তোমাকে ভালবাসি। তুমি হ্যাঁ বললে তো ভালো। কিন্তু না বললে তখন অন্য মেয়ে খুঁজতে হবে। আর সেটা তোমার বোন ও হতে পারে !!

২. ডাইরেক্ট স্টাইলঃ শোনো মেয়ে, আমি কোনো রকম ভূমিকা-টূমিকা না করে একেবারে সোজাসুজিভাবে তোমাকে একটা কথা বলে দিতে চাই। আমি তোমাকে ভালোবাসি।

৩. মাস্তানি স্টাইলঃ ওই মাইয়া, ভালবাসা দিবি কি-না, বল!(চাকু/বন্দুক দেখিয়ে)

৪. যুক্তিবাদী স্টাইলঃ আমি তোমার ছোট ভাইকে ভালোবাসি। তোমার ছোট ভাই তোমাকে ভালোবাসে। অতএব, যুক্তিবিদ্যার নিয়মে কি হয়? বাকিটা তুমিই বল !!

৫. চালাক স্টাইলঃ তুমি কি জানো, আমাদের জাতীয় সংগীতের দ্বিতীয় লাইন টা কি??

৬. রসিক স্টাইলঃ Excuse me! আমি তোমাকে প্রপোজ করতে চাই। please অনুমতি দাও।

৭. হিজড়া স্টাইলঃ এই দুষ্টু মেয়ে। তুমি এ কি জাদু করলা? তোমাকে দেখলে আমার হার্টবিট বেড়ে যায়। আবার তোমাকে না দেখলে অস্থিরতা মরে যাই। তুমি কি জানো? আমি তোমাকে অনেননননননননন….ক ভালোবাসি।

৮. ডিজুস স্টাইলঃ Hi,wassup sweet heart ? , wanna be maa lavaa,actually I am in love with u !

৯ভীতু স্টাইলঃ ইয়ে মানে!! ইয়ে মানে !!! আমি মানে ! আমি মানে তোমাকে ,......। ( আর বলা হয় না )

১০. গায়ক স্টাইলঃ গানের গলা ভালো হলে একটা গান গেয়ে বলতে পারেন… “এত ভেবে কি হবে? ভেবে কি করেছে কে কবে? ভাবছি না আর, যা হবে হবার। এত দিন বলিনি, তুমি জানতো আমি এমনি…… ভালবাসি !!”

১১. দেবদাস স্টাইলঃ কেউ আমাকে ভালবাসে না। এ জীবন আমি রাখবনা। তোমার কাছে বিষ হবে? আমায় বিষ দাও। আমায় বিষ দাও। (কান্নায় ভেঙ্গে পড়ুন)

১২. কাব্যিক স্টাইলঃ কবি কবি ভাব থাকলে ২ লাইন কবিতার মাধ্যমে প্রপোজ করতে পারেন !! আশা করি এই টুকলিফাই এর যুগে কবিতার অভাব হবে না!!
১৩. অনুভূতিহীন স্টাইলঃ তোমাকে আমার খুব পছন্দ হয়েছে। এখন তুমি আমাকে পছন্দ না করলেও আমি পাঁচতলা থেকে লাফ দিবো না, বিষ খেয়েও মরবো না। যদি আমাকে তোমার পছন্দ হয়, তাহলে বল।
writing-Syed Emonul Islam
Read More »

Sunday, September 18, 2011

0 মেক আপ

12:11 PM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
ডাক্টরঃ আপনার ওজন দু-কিলো কমে গেছে কেন ?
মহিলাঃ ও..আজ মেক আপ করিনি তো তাই ।
Read More »

0 ব্যাচেলর

12:10 PM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
এক যুবক বাড়ি ভাড়া খুঁজছে।
বাড়িওয়ালাঃ কাকে চাই?
–বাড়ি ভাড়া হবে?
–আপনি কি বিবাহিত?
–না।
... –তাহলে যান। ব্যাচেলরদের কাছে আমি বাড়ি ভাড়া দেই না।
মালিক মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিলেন। যুবক আবার দরজায় নক করল।
–আবার কী চাই?
–শুনুন,
.
.
.
.
.
.
ব্যাচেলররা যদি এতই খারাপ হয় তাহলে ব্যাচেলরদের কাছে মেয়ে বিয়ে দিতে চান কেন?!
Read More »

0 জাহান্নামে যান

12:06 PM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
রাতুলের শ্বশুর এসেছেন, কয়েকদিন থেকেছেন, রাতুলের মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে,শ্বশুরকে যা তা বলে ফেলেছেন।
শ্বশুর রাগ করে চলে গেছেন।
রাতুলের বউ প্রচন্ড রেগে রাতুলকে বলছেন : তুমি এখনই বাবাকে ফোন দিয়ে ক্ষমা চাও।
রাতুল ফোন দিল,শ্বশুর মশাই ফোন ধরেছেন।
রাতুল : বাবা বলছেন?
... শ্বশুর : হ্যাঁ বলছি।
রাতুল : ঐ যে আপনাকে বলেছিলাম না, জাহান্নামে যান !!!
শ্বশুর : হ্যাঁ, কি হয়েছে?
রাতুল : পরে গেলেও চলবে!!
Read More »

0 সেনাপতি

12:05 PM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
2 দেশের 2রাজার মাঝে তাদের সেনাপতিদের নিয়ে খুব অহংকার ছিল। উভয়েই দাবী করতো তাদের সেনাপতি খুব দক্ষ এবং বিচক্ষণ। তাই একবার দুই সেনাপতিকে একই মন্ঞ্চে এনে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হলো।

প্রথম সেনাপতি মন্চ্ঞে উঠে বাতাসে শাঁ শাঁ করে তলোয়ার চালিয়ে কসরৎ দেখাত লাগলো। এক পযা'য়ে শাঁ করে তলোয়ার চালিয়ে একটা উড়ন্ত মাছিকে দু' টুকরা করে ফেলে দিল।

সবাই হাত তালি দিয়ে বাহবা জানালো।



এবার দ্বিতীয় সেনাপতি মঞ্চে এলো ।

বিভিন্ন কসরৎ দেখানোর পর সেও একটা উড়ন্ত মাছিকে দেখে শাঁ করে তলোয়ার চালালো

কিন্ত মাছিটা তখনো উড়তেই লাগলো।

এবার সবাই বলে উঠলো কি হলো মাছি তো এখনো উড়ছে।

সেনাপতি হাসি মুখে গর্ব করে বললো;

উড়লে কি হবে খুব সূক্ষভাবে মাছিটার শরীরের এমন একটা অংশ কেটে দিয়েছি যে জীবনেও ওটা আর বাবা হতে পারবেনা।
Read More »

0 হ্যাক

12:03 PM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
আমি এখন যে কারো ফেসবুক হ্যাক করতে পারি !!!!

কি বিশ্যাষ হচ্ছেনা ? পরিক্ষা করে দেখতে চান পারি কিনা ?
.
.
... .
.
.
.
.
.

ঠিক আছে তাইলে আপনার ইমেইল আর পাসওয়ার্ড টা দেন হ্যাক করে দেখাইয়া দেই পারি নাকি না পারি
Read More »

0 বাড়িওয়ালা

12:00 PM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
এক বাড়িওয়ালা মফিজকে ফোন করে বলছেন- তাঁর বাসার কলিংবেলটা নষ্ট, মফিজ যেন জরুরি ভিত্তিতে এসে সেটা ঠিক করে দেন। একদিন যায়, দুদিন যায়। পুরো চারদিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও মফিজের কোনো নামগন্ধ না পেয়ে বাড়িওয়ালা এবার রেগেমেগে মফিজকে আবার ফোন করলেন।
বাড়িওয়ালাঃ আপনাকে না চারদিন আগে বলেছি, বাসার কলিংবেলটা নষ্ট। আপনার তো দেখাই পাচ্ছি না।
মফিজঃ কী যে বলেন। আমি গিয়েছিলাম ঠিকই। কিন্তু অনেকক্ষণ বাসার বেল চেপে কারও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে শেষে ফিরে এসেছি।
Read More »

0 দুই বন্ধু

11:58 AM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
ডাক্তারের চেম্বারের সামনে দাঁড়িয়ে আছে এক তরুণ। কাছ দিয়েই যাচ্ছিল ঐ তরুণের এক বন্ধু। কথা হচ্ছে উভয়ের মধ্যে-
১ম জনঃ কি ব্যাপার, তুই এখানে দাঁড়িয়ে কি করছিস?
২য় জনঃ মেয়েদের দেখছি!
১ম জনঃ মানে?
২য় জনঃ ঐ দেখ, ডাক্তারের চেম্বারের দরজায় ঝুলানো আছে।
১ম জনঃ “মেয়েদের দেখার জন্যবিকাল ৪টা থেকে ৬টা।” তাতে কী হয়েছে?
২য় জনঃ তাই তো দাঁড়িয়ে নির্দেশ পালন করছি ।
Read More »

0 শিক্ষক ও ছাত্র

11:58 AM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
শিক্ষক: ওয়াদা করো সিগারেট পান করবে না
ছাত্ররা: ওকে স্যার পান করবো না।

শিক্ষক: মেয়েদের পিছে ঘুরবেনা
ছাত্ররা: ঘুরবো না।
...
শিক্ষক: ওদের ডিস্টার্ব করবে না।
ছাত্ররা: ওকে, ডিস্টার্ব করবো না

শিক্ষক: দেশের জন্য জীবন কোরবান করবে।
ছাত্ররা: অবশ্যই স্যার, এই রকম জীবন রেখেই বা কি করবো, এর চেয়ে কুরবানি দিয়ে দেয়াই ভালো।
Read More »

0 WikiLeaks

11:57 AM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
Technology" এর Group-Chatting এর একাংশ :
Wikipedia : আমি সব জানি!
Google : তোর সবকিছুর Link আমার কাছে আছে!
Internet : আমি ছাড়া তোদের দাম নাই!
WikiLeaks: মু হু হা হা ...! আমি সব ফাঁস কইরা দিমু !! ক্ষ্যামতা থাকলে ঠেকা !!!
... Computer : আমি ছাড়া তোরা সব অচল!
Electricity : তোরা সব আমার Power-এর ক্ষমতা দেহাইতেছোস্ !!
Government: আমি Electricity দিলেই না তোরা power দেখাইবি
Read More »

Friday, December 11, 2009

0 কৌতুক

9:55 AM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
 ডাক্তার: সব ঠিক আছে, চিন্তার কিছু নেই। এখন থেকে রোজ বেশি করে ফল খাবেন। তবে বিশেষ করে ফলের খোসাতেই বেশি ভিটামিন, জানেন তো? তা আপনার কোন ফল বেশি প্রিয়? রোগী: আজ্ঞে, নারকেল।
 এক ইংরেজ ভদ্রলোক বাজারে গিয়েছেন। এক মাছওয়ালা তাঁকে ডেকে বললেন, এই বড় মাছটা লইয়া যান সাব।
ইংরেজ ভদ্রলোক: How much? মানে দাম কত?
মাছওয়ালা তাড়াতাড়ি বলে উঠলেন, না না স্যার, এইটা হাউ মাছ না, এইটা অইল রুই মাছ।
হাছিনা জাহান
Read More »

Friday, November 20, 2009

0 কৌতুক

8:58 AM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
১.
কোনো অফিসের এক কর্মকর্তা তার সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলেন_
: আচ্ছা, আপনি সারাক্ষণ কী এত চিন্তা করেন বলুন তো?
: ভাবি, পৃথিবী থেকে যদি একদিন সব মূর্খ লোক ধুয়ে-মুছে সাফ হয়ে যায়, তাহলে তার পরিণাম কী হতে পারে!
: তাই! সারাজীবন শুধু নিজেকে নিয়েই ভাবলেন রে ভাই।
২.
পুলিশ : কী ব্যাপার, পেছন থেকে এত ডাকছি, আপনি গাড়ি থামালেন না কেন?
চালক : ওহ, আমি ভেবেছি আমার বন্ধু ডাকছে। ওর গলা আপনারই মতো। রাস্তায় দেখা হলেই ও শুধু ডাকে আর টাকা চায়।
Read More »

Thursday, November 5, 2009

0 ৭টি রাশিয়ান কৌতুক

1:26 AM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
০১.
আচ্ছা, সভিয়েট ইউনিয়নে দুটি পত্রিকা কেন? কেবল প্রাভদা (সত্য) অথবা ইজভেস্তিয়া (সংবাদ) থাকলেই তো হতো।
উত্তর: দুটিই দরকার। কারণ প্রাভদায় ইজভেস্তিয়া নেই আর ইজভেস্তিয়ায় প্রাভদা নেই।


০২.
ক্লাসে এক ছাত্র: স্যার শুনলাম আমেরিকায় নাকি বিশ্বে সবচেয়ে বড় বিল্ডিং আছে?
টিচার: ইভানভ, তুমি ঠিকই বলেছ, তবে কি জান, আমেরিকানরা সভিয়েট ইউনিয়নের মতো বড় সাইজের ইলেকট্রিক ট্রানজিস্টর বানাতে পারে না।


০৩.
আচ্ছা, সুইজারল্যান্ডে কি কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা সম্ভব?
উত্তর: খুবই সম্ভব, কিন্তু ওরা তো তোমার কোনো ক্ষতি করে নাই...


০৪.
গ্রামে কমিউনিস্ট পার্টির মিটিং চলছে। বক্তৃতা দিচ্ছেন এক নেতা-
কমরেডস, কেবল আমাদের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন হোক, দেখবেন উন্নয়নের জোয়ারে ভাসবে গোটা দেশ। আরে, তখন আমাদের সবারই একটা করে প্লেন থাকবে।
এক মুর্খ চাষা প্রশ্ন করলো- প্লেনের মালিক হয়ে আমরা কি করব?
নেতা: আরে কমরেড এটিও বুঝতে পারছেন না? ধরুন আপনার শহরের দোকানে আলুর সাপ্লাই নেই, নো চিন্তা, প্লেন নিয়ে মস্কো চলে যান, আলু কিনে ফিরে আসুন...


০৫.
মফস্বল শহরে পার্টি মিটিং। নেতা বক্তৃতা দিচ্ছেন:
কমরেডগন...দেখুন আমাদের প্রত্যেকের জীবনে কমিউনিজম কতো পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। উদাহরণ তো হাতের কাছেই আছে, এই ধরুন সামনের সারিতে বসা মারিয়া। মুর্খ নারী ছিল। তার একটিই মাত্র জামা ছিল, কোনো জুতা ছিল না। আজ তার পায়ে জুতা আছে। ধরুন ইভানভ। গ্রামের সবচেয়ে গরীব ছিল। তার জমি ছিল না, বলদ ছিল না। আজ সে ট্রাক্টর চালায়, তার দু জোড়া জুতা। ধরুন সার্গেই। কী জীবন ছিল তার! রাস্তায় রাস্তায় ঘুরত। প্রচণ্ড তুষারপাতের রাতেও তাকে কেউ আশ্রয় দিত না, সব চুরি করে নিয়ে যাবে এই ভয়ে। সেই সার্গেই চোরা দেখুন আজ কতো বদলে গেছে। আজ সে পার্টির লোকাল সেক্রেটারি....


০৬.
এক রাশান, এক ফ্রেঞ্চ আর এক বৃটিশ তর্ক জুড়ে দিয়েছে, আদী পিতা আদম কোন জাতীয়তার ছিলেন সেই বিষয়ে।
ফ্রেঞ্চ বলছে: আদম ফরাসী না হয়েই যায় না। দেখ না, ইভকে সে কত্তো ভালবাসতো।
বৃটিশ বলছে: উহু। আদম আসলে ছিল বৃটিশ। দেখ, তার একটি মাত্রই আপেল ছিল আর সেটি সে ইভ কে দিয়ে দিল! যেন সাচ্চা বৃটিশ জেন্টলম্যান।
রাশান বলছে: তোমরা কিস্যু জানো না। যে লোকটি পুরো উদোম হয়ে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে, সম্বল মাত্র একখানি আপেল। আর তারপরও ভাবছে সে স্বর্গে আছে, সে রাশান না হয়ে যায় কোথায়...


০৭.
এক অলিম্পিকে এক সভিয়েট অ্যাথলেট হাতুরি নিক্ষেপে বিশ্ব রেকর্ড করলো। তাকে ইভেন্ট শেষে ঘিরে ধরল সাংবাদিকরা।
আপনি কি করে এত্তো দূরে হাতুরিটি মারতে পারলেন?
বলেন কি? এটা কোনো ব্যাপার হলো? হাতুরির সঙ্গে একটি কাস্তে জুড়ে দিন না, অ্যায়সা জোড়ে ছুড়ে মারব যে স্টেডিয়াম পার হয়ে যাবে।
Read More »

Wednesday, November 4, 2009

0 মেছো জোকস্

10:43 PM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
ছোট ছেলেটি স্কুলে যেতে দেরি করেছে । চুপি চুপি ক্লাসে ঢুকতে গিয়েছিল সুপারিটেন্ডেন্টের নজর এড়িয়ে । কিন্তু ধরা পড়ে গেল । সুপার খপ করে তাকে ধরলেন এবং দেরির জবাবদিহি চাইলেন । আমতা আমতা করে সে জবাব দিল :
আমি আজ মাছ ধরতে যাব ঠিক করেছিলাম, কিন্তু বাবা যেতে দিল না ।
সুপারের মুখ মৃদু হাসিতে উদ্ভাসিত হল । -- বিচক্ষন পিতা তিনি বললেন । তোমাকে মাছ ধরতে যেতে না দিয়ে তিনি ঠিক কাজই করেছেন । কারণটাও তিনি নিশ্চই ব্যাখ্যা করেছেন তাই না ?
ছোট ছেলেটি জবাব দেয় – হ্যাঁ নিশ্চই স্যার ! তিনি বললেন, যা টোপ আছে, তাতে আমাদের দুজনের কুলোবে না !


মৎস্যশিকারীদের আড্ডায় অত্যন্ত বিমর্ষ হয়ে বসেছিল স্যাম । তা দেখে তার বন্ধু প্রশ্ন করল, কী দোস্ত ! আজ দেখছি মুড অফ ! নতুন করে কিছু হল না কি ?
আর বল কেন ? বউ আলটিমেটাম দিয়েছে, হয় বরাবরের মতো আমাকে মাছ ধরা ছাড়তে হবে, নইলে সে আমাকে বরাবরের মতো ছেড়ে চলে যাবে ! হায় ভগবান! এত ভাল বউটাকে আমি হারাতে চলেছি !


এই যে সেদিন মাছ ধরতে গেলে, বউকে ব্যাপারটা বোঝাতে কোনও সমস্যা হয়নি তো ?
হয়নি আবার ! সেদিনই সে আবিষ্কার করেছিল যে আদৌ আমি মাছ ধরতে যাইনি !


সমুদ্রতীরে মাছ ধরছেন এক দম্পতি । স্বামীর বঁড়শিতে টোপ গিলল এক বিশাল স্যামন মাছ । কিন্তু হুইল গুটিয়ে সেটাকে তীরে আনার আগেই সুতো-মাছ সব জড়িয়ে গেল সমুদ্র শৈবালের স্তুপে । স্বামী চিৎকার করে স্ত্রীকে বললেন :
ওগো জলদি কর ! ঝাঁপ দাও ! সাঁতরে চলে যাও ওই শ্যাওলাগুলোর কাছে ! ডুব দিয়ে সুতোটা ছাড়াও । নইলে হাঙরগুলো মাছটাকে টুকরো টুকরো করে ফেলবে !


মৎস্যশিকারীর প্রতিবেশী : এই যে রাম বাবু ! কাল না কি আপনারা কজন মিলে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন ? হেঁ হেঁ ! তা মেজো মাছটা কে ধরলেন ? হেঁ হেঁ !
মেজো মাছ ? সেটা আবার কি ?
হেঁ হেঁ ! মানে সবচেয়ে বড় মাছের পরেরটা । সবচেয়ে বড় মাছটা তো নির্ঘাৎ আপনিই ধরেছেন, হেঁ হেঁ ! তার পরের বড় মাছটা কে ধরলেন, সেটাই জানতে চাইছি ! হেঁ হেঁ !




এক মেছুড়ে গপ্পো বলছে :
-- সেদিন জেটির ধারে ছিপ নিয়ে বসেছি । বসে আছি তো বসেই আছি । হঠাৎ ফাতনা নড়ে উঠল । স্বচ্ছ জলের ভিতর দিয়ে দেখি একটা পুঁটি মাছ টোপ গিলছে । এই তোমার কড়ে আঙুলের সাইজ । ওইটুকু মাছটাকে তুলব কিনা ভাবছি, এমন সময় দেখি বেশ বড় একটা রুইমাছ পুঁটিটাকে গিলে ফেলল । সবে টান দেবার উপক্রম করেছি । দেখি কি একটা বিশাল বোয়াল রুইটাকে কপাৎ করে খেয়ে ফেলল । জয়গুরু বলে দিলাম ছিপে টান ।
-- তারপর ? অধৈর্য শ্রোতা জানতে চান । তারপর কি হল ? আপনি কি বোয়ালটাকে তুললেন ?
-- না আর তোলা হল কই ? পুঁটিমাছটাই যে বঁড়শি থেকে ছেড়ে গেল !


মেছুড়ের বাড়িতে অনেকদিন বাদে বন্ধু এসেছেন । ড্রয়িংরুমে দেখেন কাচের বাক্সে বড় একটা মাছ স্টাফ করে সাজিয়ে রাখা আছে । ব্যাপারটা কি জানতে চাইলে মেছুড়ে বললেন :
-- গতবার মাছ ধরতে গিয়ে এটা পেয়েছিলাম । একা একটা ডিঙি নিয়ে বেরিয়েছিলাম । মাছটা টোপ গেলার পর কয়েক ঘন্টা আমার তো নাকানিচোবানি অবস্থা । ডিঙি সামলাই না মাছ সামলাই ! ডিঙি প্রায় উল্টে যায় এমন অবস্থা ! আর তুমি তো জানোই আমি সাঁতার জানি না । সে এক জীবন-মরন অবস্থা ! হয় মাছ, না হয় আমি - যে কোন একজন বাঁচবে !
-- তবে, বন্ধু উত্তর দিলেন, ডেকরেশনের দিক থেকে মাছটাই ভালো বলে আমার মনে হয় !


মাছ ধরার নেশায় না কি সব কিছু ভুলিয়ে দেয় । কিন্তু বিয়ের কথা যে ভোলে না, নীচের গল্পটা তার প্রমান ।
এক প্রৌঢ় এবং এক যুবক মাছ ধরতে বেরিয়েছে । সেদিন সত্যিই তাদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল । প্রচুর মাছ ধরে তারা দিনের শেষে যখন বাড়ি ফিরছে, তখন প্রৌঢ় বললেন :
-- দিনটা দারুণ ছিল ! কি বল ?
-- যা বলেছেন ! এত বড় বড় মাছ কখনও তুলিনি ! যুবকের উত্তর ।
-- তাহলে আগামী কাল সকালে ফের আসব ! কী হে রাজি আছ তো ?
-- আগামীকাল ? আগামীকাল যে আমার বিয়ে ! থাকগে, বিয়েটা না হয় একদিন পিছিয়ে দেব ! -- যুবকের ঘোষণা ।


চার মহিলা ব্রীজ খেলছেন । ম্যান্টেলপিসের উপর স্টাফ করা বিশাল হাঙরটা সকলেরই দৃষ্টি আকর্ষন করছিল । গৃহকত্রী বেশ গর্বের সঙ্গে বললেন :
-- আমি এবং আমার স্বামী গভীর সমুদ্রে এই হাঙরটাকে ধরেছিলাম ।
-- কিন্তু হাঙরটাকে বেশ মোটা লাগছে । ওটার পেটের ভেতর কী পোরা আছে ?
-- আমার স্বামী !


নদীর ধারে তাঁবু গেড়ে দুজন মাছ ধরছেন । ফিশিং ইন্সপেক্টর যথারীতি হাজির ।
-- এই ছিপটা কার আমি জানতে চাই । -- ইন্সপেক্টর গম্ভীর গলায় বলেন ।
-- আমার ।
-- আপনি কি জানেন না, এখানে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ?
-- জানি বই কি ! তবে, সত্যি কথাই বলি, আমরা কিন্তু মাছ ধরছি না । আমরা একটা সুতোয় বিয়ারের বোতল বেঁধে সেটাকে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছি মাত্র ! যাতে বিয়ারটা ঠান্ডা হয় । বুঝেছেন তো ?
-- হুম ! ইন্সপেক্টরের গম্ভীর মুখ গম্ভীরতর হয় । আমার সারা জীবনের অভিজ্ঞতায় কখনও কোনও বিয়ারের বোতল দেখিনি যেটা কিনা বৃত্তাকার ঘোরে আর মাঝে মাঝে নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য জলের ওপর ভেসে ওঠে !


আচ্ছা জিম, যে বিশাল মাছটা তোমার সুতো ছিঁড়ে পালিয়ে গিয়েছিল, সেটা ঠিক কত বড় ছিল ?
-- সে তো ভাই বলতে পারব না ? এটুকু জানি, আমার হুইলে ৫০ গজ নতুন সুতো ছিল । ব্রিমটা টোপ গিলেই উজানে ছুটল । হুইলের সুতোও শেষ হল, আর আমি দেখলাম ব্রিমটার ল্যাজ তখনও নৌকার ধার দিয়ে চলেছে ।


দুটো গোল্ডফিশ ঝকঝকে অ্যাকোয়ারিয়ামের মধ্যে সাঁতার কাটছে । হঠাৎ একটি আরেকটিকে প্রশ্ন করে :
-- আচ্ছা আপনি ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন ?
দ্বিতীয় গোল্ডফিশটি সামনের পাখনাদুটো মাথায় ঠেকিয়ে উত্তর দেয় :
-- বলেন কি মশাই ? ঈশ্বরে বিশ্বাস করব না ? অবশ্যই করি । দিনে দুবার আমাদের এ ঘরের জল পালটে দেন কে তাহলে ?


অনেকক্ষন পাশে দাঁড়িয়ে অন্যের মাছ ধরা দেখছেন এক ভদ্রলোক । মাঝে মাঝে ফুট কাটছেন । মৎস্যশিকারীর মেজাজও স্ফূটনাঙ্কের কাছাকাছি চলে যাচ্ছে । এক সময় দর্শক ভদ্রলোক প্রশ্ন করেন :
-- আচ্ছা আজ কি মাছ ঠোকরাচ্ছে না ?
ক্রুদ্ধ মৎস্যশিকারী উত্তর দিলেন :
-- জানি না মশাই ! আর যদি ঠুকরেও থাকেও তারা একে অন্যকে ঠোকরাচ্ছে !


ছোট্ট বাপন তার মাকে জিজ্ঞেস করে :
-- আচ্ছা মা, সব গল্পই কি শুরু হয় এক যে ছিল রাজা দিয়ে ?
মা বলেন :
-- না বাবা । কখনও কখনও তার শুরুটা হয় এরকম : সে মাছটা ছিল কম সে কম দশ ফুট লম্বা, লেজটা ধরলে আরও............!
Read More »

0 কৌতুক

9:21 AM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
লিখেছেন : তুষার আহাসান (১)

মন্ত্রী বেওয়া প্রসাদ একদিন দেখলেন, কে যেন তাঁর দরজায় লিখে রেখেছে"গাধা"।
প্রচন্ড রেগে তিনি সিকিউরিটি অফিসারকে বললেনঃ খুঁজে বের কর, কে এই কীর্তি করেছে।
সিকিউরিটি অফিসার তদন্ত করে একসময় ফিরে এসে বললেনঃস্যার একটা খারাপ খবর আর
একটা খুব খারাপ খবর আছে।
মন্ত্রীঃ খারাপ খবরটা আগে বলো।
সিকিউরিটি অফিসারঃযে পেন দিয়ে লেখা হয়েছে সেটা আপনার প্রতিদ্বদন্দ্বী সধবা প্রসাদের।
মন্ত্রীঃ জানোয়ার একটা, শয়তান। ঠিক আছে, এবার খুব খারাপ খবরটা বলো।
সিকিউরিটি অফিসারঃহাতের লেখাটা আপনার স্ত্রীর।
(২)
রামবাবু একটা ঘোড়া কিনেছেন।
রোজ সকালে তিনি সেটাকে ট্রেনিং দেন।
একজন প্রতিবেশী তাঁকে বললেনঃআপনি ঘোড়াটাকে ট্রেনিং দেন কেন?
রামবাবুঃ আরে ট্রেনিং না দিলে নিজের ছেলেই গাধা হয়ে যায়, তা এতো পরের ছেলে।
(৩)
তিন বছর আগে আমার ক্যামেরায় তোলা একটা ফটো।


Read More »

0 “অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুৎসিত!!”

8:54 AM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
লাথি মার ভাঙরে তালা, যতসব বন্দীশালা, আগুন জ্বালা।

> অশিক্ষিত মাঃ খোকন, এত বাজে কথা কোথা থেকে শিখেছ?
> খোকাঃ মা, এ তো আমার কথা নয়, নজরুলের কথা।
> মাঃ তাহলে আর কখনো ওসব বাজে ছেলের সঙ্গে মিশবে না।
----------------------------------------------------------১
টিনা রাস্তা দিয়ে হাঁটছে।
পাখির দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় একটা খাঁচার তোতাপাখি তাকে দেখে বললো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুৎসিত!’
টিনা চটে গেলেও কিছু বললো না, পাখির কথায় কী আসে যায়?
পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও একই ঘটনা ঘটলো, পাখিটা বলে উঠলো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুৎসিত!’
টিনা দাঁতে দাঁত চেপে হজম করে গেলো।
তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও পাখিটা বলে উঠলো, ‘অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!’
এবার টিনা মহা চটে দোকানের ম্যানেজারকে হুমকি দিলো, সে মাস্তান লেলিয়ে এই দোকানের বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে। ম্যানেজার মাফ চেয়ে বললো, সে এর বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, পাখিটা আর এমন করবে না।
তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় পাখিটা বলে উঠলো, ‘অ্যাই আপু!’
টিনা থমকে দাঁড়িয়ে পাখির মুখোমুখি হলো, ‘কী?’
পাখিটা বললো, ‘বুঝতেই তো পারছেন।’
--------------------------------------------------------------২
Read More »

0 নরক সত্যিই আছে!!!

8:52 AM Under From রেজওয়ান
[0 Comment]
শিক্ষাগত যোগ্যতা
নিয়োগকর্তা - আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা?
আবেদনকারী- আজ্ঞে এফ, এস, সি স্যার।
নিয়োগকর্তা - বাহ ভাল তারপর বলুন এই যে আপনাকেই বলছি , আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা কি?
অপর আবেদনকারী (পুত্র) - আজ্ঞে বি এস, সি , স্যার
নিয়োগকর্তা- বেশ খুশি হলাম । তা আপনার? হ্যা আমি এই ম্যাডামকে বলছি। আপনার কোয়ালিফিকেশন জানতে চাইছি ।
মহিলা আবেদনকারী (মা) - আজ্ঞে এম, এস,সি।
নিয়োগকর্তা- বাহ । আপনারা দেখছি সবাই অনেক শিক্ষিত!


স্যার আপনি বোধ হয় একটু ভুল করছেন।
নিয়োগকর্তা - কেন? কেন ?
মহিলা- আজ্ঞে এম, এস, সি মানে মাদার অব সেভেন চিলড্রেন।
পুরুষ- আজ্ঞে আমি ফাদার অব সেভেন চিলড্রেন ।
ছেলে- আমি ব্রাদার অব সিক্স চিলড্রেন ।
Read More »